আরামবাগে বিজেপি কর্মীকে গুলি, অভিযোগের পর গ্রেফতার দলের অঞ্চল কনভেনার
আরামবাগে গুলিবিদ্ধ বিজেপি যুব মোর্চার কর্মী, তদন্তে পুলিশ
হুগলির আরামবাগে বাড়ি ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ হলেন বিজেপির যুব মোর্চার এক কর্মী। শনিবার রাতে আরামবাগের সালেপুর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ডোঙ্গল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। আহত কর্মীকে উদ্ধার করে আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করেছে পুলিশ। ঘটনার জেরে একজন বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং আরও কয়েক জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গুলিবিদ্ধ বিজেপি কর্মীর নাম সুজন গড়াই। তিনি আরামবাগের গৌরহাটি এলাকার বাসিন্দা। অভিযোগ, শনিবার রাতে ডোঙ্গল এলাকা থেকে বাড়ি ফেরার সময় আচমকা তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। গুলিটি তাঁর পায়ে লাগে। গুরুতর জখম অবস্থায় তিনি ঘটনাস্থলেই পড়ে যান।
ঘটনার খবর পেয়ে আরামবাগ থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত সুজন গড়াইকে উদ্ধার করে আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।
এই ঘটনায় রবিবার সকালে আরামবাগ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগে বিজেপির অঞ্চল কনভেনার সরোজ লাগা-সহ আরও চার জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ সরোজ লাগাকে গ্রেফতার করেছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য- শনিবার রাতে আরামবাগের ডোঙ্গল এলাকায় গুলির ঘটনা ঘটে।
- আহত বিজেপি যুব মোর্চা কর্মী সুজন গড়াই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
- অভিযোগের ভিত্তিতে বিজেপি কর্মী সরোজ লাগাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
- আরও চার জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
- ঘটনার কারণ ও অন্যান্য দিক তদন্ত করে দেখছে আরামবাগ থানার পুলিশ।
তদন্তে একাধিক দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ
স্থানীয়ভাবে বিজেপির একাংশের দাবি, ঘটনাটির নেপথ্যে দলের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব থাকতে পারে। তবে এই বিষয়ে দলীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। পুলিশও এখনও ঘটনার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু জানায়নি।
তদন্তকারীরা অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলের তথ্য, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং অন্যান্য প্রমাণ সংগ্রহ করছেন। গুলি চালানোর প্রকৃত কারণ, ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত ছিলেন কি না এবং অভিযোগে উল্লিখিত ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে এগোবে।